মহেশখালীতে ৩ জন টেকনোলজিস্টের দূ’জনই করোনায় আক্রান্ত, নমুনা সংগ্রহ ব্যাহত

ওসমান আল হুমাম, কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।

কক্সবাজারের মহেশখালীতে টেকনোলজিস্টের অভাবে সম্ভব নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ হচ্ছে না।মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়োগপ্রাপ্ত দু’জন টেকনোলজিস্টও বর্তমানে করোনা আক্রান্ত হওয়ায় বেড়েছে মানুষের ভোগান্তি।

দ্বীপ উপজেলা মহেশখালীতে প্রায় চার লক্ষ মানুষের বসবাস। কিন্তু অধিক এই জনগোষ্ঠীর জন‍্য রয়েছে কেবল দু’জন টেকনোলজিস্ট (আব্দুল হালিম এবং নুরুল আলম হেলালী)। চার লক্ষ মানুষের নমুনা সংগ্রহের দায়িত্ব তিন জনের কাধে। দিনরাত উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে নমুনা সংগ্রহের চেষ্টা করেন দু’জন। কিন্তু এরপরও অনেক সময় নিয়মিত নমুনা সংগ্রহ সম্ভব হয় না। হলেও প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগণ্য।

এদিকে গত ২৬ মে করোনায় আক্রান্ত হয়ে পড়েন টেকনোলজিস্ট আব্দুল হালিম এবং তার কয়েক

দিন না পেরোতেই অর্থাৎ ৩ মে আক্রান্ত হয়ে পড়েন তার সহযোগী নুরুল আলম হেলালীও। যার কারণে নমুনা সংগ্রহ অনেকটা অসম্ভব হয়ে পড়েছে চার লক্ষ মানুষের আবাসস্থল মহেশখালীতে। অনেককেই করোনার লক্ষণ উপসর্গ নিয়েও নমুনা পরীক্ষা করতে না পারায় পোহাতে হচ্ছে ব‍্যাপক ভোগান্তি।

এই বিষয়ে মুঠোফোনে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মাহফুজুল হকের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের দু’জন টেকনোলজিস্ট আক্রান্ত হলেও আমরা নমুনা সংগ্রহ চালিয়ে যাচ্ছি।

৩জন টেকনোলজিস্টের মধ্যে দু’জন আক্রান্ত হলে তাদের সাহকারী আমরা আগে থেকেই নিয়োজিত রেখেছি।
সুতরাং আমরা সাধ্যনুযায়ী নমুনা সংগ্রহ করে যাচ্ছি। ৪ লক্ষ মানুষের ৬জন টেকনোলজিস্ট নিয়োজিত আছে। পরিস্থিতি আলোকে আরো টেকনোলজিস্ট নিয়োগ হবে।

তবে সচেতন মহল এ দাবী উড়িয়ে দিয়েছেন। বর্তমানে মাত্র একজনের মাধ্যমে খুড়িয়ে খুড়িয়ে চলছে নমুনা সংগ্রহ। দ্রুততর সময়ের মধ্যে টেকনোলজিস্ট নিয়োগের মাধ্যমে এই ভয়াবহ সংকট কাটিয়ে তোলার দাবী মহেশখালী বাসীর।অন্যথায় করোনা আক্রান্তের মিছিল এগোতে থাকবে। ক্ষয় হবে জননিরাপত্তা বলয়।