সবাই সচেতন থাকুন: (দালাল বাহীনির) প্রতারণা থেকে বাচুন!!!

যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য অনেক দুরে অথবা কাছের গ্রাম থেকে ছুটে আসেন অনেক রুগী।তাদের মধ্যে অনেকেই গরীবও অসহায় মানুষ।
জরুরী বিভাগের সামনে আসলেই দেখা মিলবে দালাল বাহীনির। দালাল বাহীনির যে কোন একজন জরুরী বিভাগের সামনে থেকেই আপনার সাথে সাথে থাকবে ,আপনার মনে হবে সে হাসপাতালের স্টাফ।

রুগীকে গাড়ি থেকে নামানো,রুগীকে ভত্তি করা,রুগীকে ওয়াডে নিয়ে যাওয়া সব কিছুই করবে দালাল বাহীনির সদস্য ।

রুগীর চিকিৎসার জন্য সেবিকা ঔষধ লিখে দেবে একটা ছোট প্যাডের কাগজে ,ঠিক তখনই ওই দালাল আপনার হাত থেকে কাগজটি তার হাতে নিয়ে বলবে দেখি কি ঔষুধ লিখছে?

এর পর দালাল আপনাকে বলবে আমার সাথে,সাথে আসেন আমাদের নিজের ঔষুধের দোকান আছে,কাছে টাকা না থাকলে কোন সমস্যা নেই -পরে টাকা দিয়েন-আপনি মনে করবেন সে আপনার খুব বড় উপকার করছে কিন্তু না এটাই হলো দালাল বাহীনির ফাদ,যে ফাদে পা দিলেই আপনার নিজের বিপদ আপনি নিজেই ঢেকে আনবেন।
আপনার নাম,ঠিকানাও মোবাইল নাম্বার লিখে রাখবে ওদের বাকির খাতায় -সব ঔষুধ দিয়ে আপনাকে বলবে তাতাড়ি যান আগে ঔষুধ দিয়ে আসেন পরে হিসাব করে টাকা দিয়েন।

আপনি সেবিকার দেওয়া ঔষুধের কাগজ টি চাইলে-দালাল আপনাকে বলবে এই কাগজটি খাতায় থাকবে ,আপনি যে ঔষুধ নিয়েছেন তার প্রমান হিসাবে।আপনি ঔষুধ নিয়ে চলে আসার সাথে সাথেই-সেবিকার দেওয়া ঔষুধের কাগজটি সরিয়ে অন্য আরেকটি কাগজে দামি,দামি ইনজেকশনের নাম বসিয়ে ,দালাল কাগজটি খাতায় পিন দিয়ে আটকে রাখবে।

পরে আপনি যখন আসবেন ঔষুধের টাকা দিতে কি,কি ঔষুধ নিয়েছিলেন আপনার মনে থাকার কথা না।
দালাল ওদের তৈরি করা ঔষুধের তালিকা হিসাব করে আপনাকে টাকা দিতে বলবে-আপনি যে ঔষুধ গুলো নিয়েছেন তার থেকে চার গুন বেশী টাকা অন্যায় ভাবে দালাল আপনার কাছ থেকে আদায় করে নেবে।

আপনার তখন আর কিছুই করার থাকবেনা।

এভাবেই প্রতিদিনই আপনার, আমার মত গরীব,অসহায় মানুষের সাথে ঘটে যাচ্ছে এরকম দালাল বাহীনির প্রতারনা।
আমি জেলা প্রশাশকের কাছে অনুরোধ জানাচ্ছি এই যে -অবিলম্বে এইসব দালাল বাহীনির সদস্য ও এদের যারা মালিক সবাইকে গ্রেফতার করে আইনি প্রকৃয়ায় শাস্তি দেওয়া হোক।

যদি এসব দালাল বাহীনিকে আইনের আওতায় না আনা যায় প্রতিদিনই গরীব,অসহায় মানুষ গুলো এই দালাল বাহীনির প্রতারনার শিকার হতেই থাকবে।